বিকাশ এজেন্ট ব্যবসা করার নিয়ম - সম্পূর্ণ গাইড

বিকাশ এজেন্ট ব্যবসা করার নিয়ম - সম্পূর্ণ গাইড। আপনি কি একজন বিকাশ এজেন্ট ব্যবসায়ী হতে চান তাহলে আজকের পোস্ট টি সম্পূর্ণ মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

বিকাশ এজেন্ট ব্যবসা করার নিয়ম - সম্পূর্ণ গাইড

বাংলাদেশে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের কথা বললে সবার আগে যে নামটা আসে, সেটা বিকাশ। গ্রাম থেকে শহর, ছোট দোকান থেকে বড় মার্কেট—সব জায়গায় বিকাশ এজেন্ট ব্যবসা এখন বেশ লাভজনক একটি সেক্টর।

বিকাশ এজেন্ট ব্যবসা করার নিয়ম - সম্পূর্ণ গাইড

Agent ব্যবসায়ী হতে হলে সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে ব্যবসা শুরু করা উচিত। যদি সঠিক পরিকল্পনা না করেন তাহলে ব্যবসায় সফলতা পাওয়া কষ্ট। তাই আপনি যদি সত্যিই একজন সফল বিকাশ এজেন্ট ব্যবসায়ী হতে চান তাহলে আজকের পোস্ট আপনার জন্য একটি helpful পোস্ট হতে চলেছ।

বিকাশ এজেন্ট ব্যাবসা কী?

বিকাশ এজেন্ট হলো সেই ব্যক্তি বা ব্যবসায়ী, যিনি নিজের দোকানের মাধ্যমে গ্রাহকদের বিকাশে টাকা জমা, উত্তোলন, সেন্ড মানি, বিল পেমেন্ট ইত্যাদি সেবা দেন।

সহজভাবে বললে, আপনার দোকানটাই হবে বিকাশ গ্রাহকের জন্য ছোট একটি মিনি ব্যাংক কাউন্টার। আপনার চারপাশের সকল মানুষ এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় টাকা পাঠাতে আপনার কাছে আসবে অথবা টাকা উঠাতে আসবে। আপনি তাদের এই সেবা প্রদান করবেন।

বিকাশ এজেন্ট ব্যাবসায়ী হতে কি কি লাগে

এজেন্ট হতে হলে আপনার বেশ কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়।সাধারণত নিচের শর্তগুলো পূরণ করলেই হয়:

  • স্থায়ী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকতে হবে (ভাড়া বা নিজের দোকান)
  • বৈধ ট্রেড লাইসেন্স থাকতে হবে
  • জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)
  • টিন সার্টিফিকেট (অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয়)
  • ব্যাংক একাউন্ট
  • বিকাশ এজেন্ট সিম
  • পাসপোর্ট সাইজের ছবি 
  • দোকানের ছবি এবং আপনার ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
  • ভালো লোকেশন (বাজার, স্কুল-কলেজ এলাকা, ব্যস্ত রাস্তা)

উপরিউক্ত ৯ টা জিনিস হলেই এজেন্ট ব্যবসা করা যায়। তবে, মনে রাখবেন, লোকেশন যত ভালো, কাস্টমার তত বেশি।

বিকাশ এজেন্ট সিম নেওয়ার নিয়মঃ

অনেকেই ভাবেন বাজার থেকে একটা নতুন সিম কিনলেই এজেন্ট সিম হয়ে যাবে। আসলে বিষয়টা উল্টো। তাহলে এজেন্ট সিম আসলে কী? এটা সাধারণ পার্সোনাল বিকাশ নম্বর না। এটা ব্যবসার জন্য আলাদা নম্বর যেটা দিয়ে আপনি ক্যাশ ইন, ক্যাশ আউট, কাস্টমার সার্ভিস ট্রানজেকশন, বড় লেনদেন, এজেন্ট অ্যাপ ব্যবহার ইত্যাদি কাজ করতে পারবেন।

এই সিম ছাড়া আপনি অফিসিয়ালি বিকাশ ব্যবসা চালাতে পারবেন না। আগে আপনাকে বিকাশ এজেন্ট হিসেবে অবেদন করতে হবে, তারপর বিকাশ নিজেই আপনার নামে এজেন্ট সিম ইস্যু করে।

অর্থাৎ, আপনাকে আগে এজেন্সি নেওয়ার জন্য আবেদন করতে হবে তারপর বিকাশ কতৃপক্ষ পর্যালোচনা করে দেখবে। যদি তারা আপনাকে বিকাশ এজেন্ট ব্যবসার অনুমোদন দেয় তাহলে তারাই আপনাকে একটা সিম দিবে।

bKash এজেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম

ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বর আর এজেন্ট একাউন্ট এক জিনিস না। এজেন্ট একাউন্ট মানে আপনি গ্রাহকদের টাকা লেনদেন করাবেন, অর্থাৎ দোকানে ছোট একটা সার্ভিস চালাবেন। আবেদন করার আগে উপরিউক্ত কাগজপত্র গুলো সংগ্রহ করুন তারপর আপনার এলাকার বিকাশ ডিস্ট্রিবিউটরের কাছে যাবেন। 

তাদেরকে বললে তারা একটি আবেদন ফর্ম দিবে এবং আপনার কাগজপত্র নিয়ে অনলাইনে সাবমিট করবে। তারপর বিকাশ আপনার আবেদনে দেওয়া সকল বিষয়গুলো ভেরিফিকেশন করবে।যেমন- দোকান বাস্তবে আছে কিনা, লোকেশন লাভজনক কিনা, আগে কোনো ফাইন্যান্সিয়াল সমস্যা ছিল কিনা এবং আপনি নিজেই ব্যবসা চালাবেন কিনা। 

কখনও কখনও ফিল্ড অফিসার দোকানে এসে দেখে যায়। যখন অনুমোদন দিবে তখন আপনি এজেন্ট সিম, একাউন্ট সকল কিছু তারা আপনাকে দিয়ে দিবে। আর একটি বিষয় সরাসরি অ্যাপ থেকে বা ওয়েবসাইট থেকে এজেন্ট একাউন্ট খোলা যায় না।

বিকাশ এজেন্ট ব্যবসা করতে কত টাকা লাগে

অনেকেরই প্রশ্ন থাকে bkash agent ব্যবসা করতে কত টাকা লাগে? খরচের বিষয়টা নির্ভর করে সম্পূর্ণ আপনার উপর। আপনি ব্যবসা কেমন করতে চাচ্ছেন। ছোট,বড় নাকি মাঝারি। আবেদন করতে কোনো প্রকার টাকা লাগে না। সম্পূর্ণ ফ্রি-তে ব্যবসা দিতে পারবেন। তবে, ব্যবসার জন্য আপনার মূলধন থাকতে হবে। ব্যবসা করার জন্য বিকাশ আপনাকে মূলধন দিবে না। নিজের টাকা ইনভেস্ট করতে হবে।

চলুন কেমন ইনভেস্ট প্রয়োজন একটু ধারণা নেওয়া যাক। প্রথম বলেছি নিজের নামে একটা দোকান থাকতে হবে ভাড়া হলেও চলবে। পরবর্তীতে কাস্টমারের কয়াশআউট বা ক্যাশইন করার জন্য ব্যালেন্স থাকতে হবে আপনার এজেন্ট একাউন্টে। ছোট করে যদি শুরু করেন তাহলেও ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা প্রয়োজন। এর চেয়ে যত বেশি আপনি পারেন ইনভেস্ট করতে পারেন।

বিকাশ এজেন্ট কমিশন কত

বিকাশের এজেন্ট হিসাবে ব্যবসা করার আগে আপনার এটা জানা জরুরি কত টাকা করে কমিশন পাবেন। বিকাশ মূলত দুইটি উপায়ে কমিশন দিয়ে থাকে।

  • কোডের মাধ্যমে টাকা লেনদেন 
  • বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে টাকা লেনদেন 

এই ২টি উপায়ে bkash Commission দিয়ে থাকে। এবার চলুন জেনে নিই। কোন উপায়ে লেনদেন করলে আপনি কত টাকা কমিশন পাবেন।

কোডের মাধ্যমে টাকা লেনদেন করলে কমিশন

আমরা যারা বিকাশ ইউজ করি তারা কম-বেশি সকলেই বিকাশের টাকা লেনদেনের কোড জানি। কোডটি হলো- *247#। এই কোডটি ডায়াল করলে আপনার সামনে CashOut, Cashin ইত্যাদি অপশন পাবেন। আপনার প্রয়োজন অনুসারে যে কোনো একটি সিলেক্ট করে টাকা লেনদেন করুন।

এই উপায়ে টাকা লেনদেন করলে আপনি প্রতি হাজারে ৪ টাকা ১০ পয়সা করে লাভ পাবেন। অর্থাৎ, ১হাজার টাকা লেনদেন করলে ৪.১০টাকা পাবেন। আর দিনে যদি ২০ টাকা লেনদেন করেন তাহলে ৮২ টাকা পাবেন। এভাবে আপনি দিনে যত টাকা লেনদেন করবেন ততো টাকা কমিশন পাবেন।

বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে টাকা লেনদেন করলে

অ্যাপের মাধ্যমে লেনদেন করলে কমিশন একটু বেশি পাওয়া যায়। কোডের মাধ্যমে যে কমিশন পেতেন তার থেকে ০.৪০ টাকা বেশি পাবেন। অর্থাৎ, প্রতি হাজারে লেনদেনে আপনি পাবেন ৪.৫০ টাকা। আপনি যদি দিনে ১০ হাজার টাকা লেনদেন করতে পারেন তাহলে কমিশন ৪৫ টাকা।

প্রথমে ব্যবসা শুরু করলেই প্রথম দিন থেকেই আপনার ইনকাম ভালো হবে না। ধীরে ধীরে আপনার ইনকাম বাড়বে। প্রথমে আপনার কাস্টমার কম থাকবে ফলে লেনদেন কম হবে কিন্তু যখন ধীরে ধীরে আপনার কাস্টমার বাড়বে তখন বেশি টাকা আপনার এজেন্ট অ্যাপের মাধ্যমে লেনদেন করতে পারবেন ফলে ইনকামও বাড়বে। দিনে ৫০০-৭০০ টাকা ইনকাম করা আপনার কাছে কোনো ব্যাপারই মনে হবে না।

bKash এজেন্ট ব্যবসা করার সেরা ১০টি উপায়

বিকাশ এজেন্ট ব্যবসা শুধু সিম নিয়ে বসে থাকলেই লাভ হয় না। এটা পুরোপুরি নির্ভর করে লোকেশন, ব্যালেন্স ম্যানেজমেন্ট আর কাস্টমার হ্যান্ডলিংয়ের উপর। নিচে এমন ১০টা কৌশল দিলাম যেগুলো ফলো করলে আপনি বিকাশে ব্যাবসায় লাভবান হতে পারবেন।

  • সঠিক লোকেশন নির্বাচন করুন- জনবহুল জায়গা নির্বচন করুন,মানুষ যেখানে নিয়মিত টাকা লেনদেন করে। যেমন- বাজার, হাসপাতাল, স্কুল-কলেজ, বাসস্ট্যান্ড বা গার্মেন্টস এলাকা।
  • সব সময় পর্যাপ্ত ক্যাশ ও ই-মানি রাখুন- Customar এর বিশ্বাস ধরে রাখুন। কাস্টমার এসে যদি শুনে ব্যালেন্স নাই বা ক্যাশ নাই সে আর আসবে না।
  • দ্রুত সার্ভিস দিন- লাইন জমতে দেবেন না। দ্রুত ট্রানজেকশন করুন,এতে পেশাদার প্রমাণিত হয়।
  • ভালো ব্যবহার করুন- একই এলাকায় ৫টা এজেন্ট থাকলেও মানুষ যায় সেই দোকানে যেখানে আলাপ ব্যবহার ভালো।
  • দোকান পরিষ্কার ও দৃশ্যমান রাখুন- দোকান এমন জায়গায় নিন যেখানে মানুষের চোখে পড়ে এবং সাইনবোর্ড, ব্যানার পরিষ্কার রাখুন ।
  • বিল পেমেন্ট ও রিচার্জে ফোকাস দিন- অনেকেই শুধু ক্যাশ ইন/আউট করে। কিন্তু এর পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল, মোবাইল রিচার্জেও নিয়মিত আয় হয়।
  • স্থানীয় সম্পর্ক গড়ে তুলুন- পাশের দোকানদার, এনজিও, ছোট ব্যবসায়ীদের সাথে ভালো সম্পর্ক রাখুন। অনেক সময় তারা নিয়মিত বড় অঙ্কের লেনদেন দেয়। বেশি লাভ করতে এটি একটি সহজ উপায়।
  • প্রতিদিনের হিসাব পরিষ্কার রাখুন- প্রতিদিন দোকান বন্ধ করার আগে সমস্ত হিসাব মিলিয়ে নিন। হিসাব গরমিল হলে দ্রুত সমাধান করুন।
  • নিজের দোকানেই বসুন- অনেকেই কর্মচারী দিয়ে ব্যবসা চালায়, কিন্তু শুরুতে নিজে থাকলে কাস্টমারের বিশ্বাস দ্রুত তৈরি হয়।
  • ফ্রড থেকে সাবধান থাকুন- ফেক এসএমএস দেখে কখনো টাকা দিবেন না। ট্রানজেকশন কনফার্ম না করে লেনদেন করবেন না এবং পিন কাউকে বলবেন না।

এই টিপস যদি আপনি ফলো করে আপনার ব্যাবসা পরিচালনা করতে পারেন তাহলে লাভবান হওয়া সম্ভব।

বিকাশ এজেন্ট ব্যবসা কি লাভজনক?

হ্যাঁ, সঠিক লোকেশন, পর্যাপ্ত ব্যালেন্স ও ভালো সার্ভিস থাকলে এটি স্থায়ী ও লাভজনক ব্যবসা হতে পারে। বিশেষ করে গ্রাম ও ছোট শহরে এর চাহিদা অনেক বেশি।

মনে রাখবেন, বিকাশ এজেন্ট ব্যবসায় রাতারাতি বড় লাভবান হওয়া যায় না। কিন্তু নিয়ম মেনে চালালে এটা আপনার দীর্ঘস্থায়ী আয় এনে দিতে পারে। আপনি যদি নতুন শুরু করতে চান, আগে ২–৩ মাস ধৈর্য ধরে মার্কেট বুঝুন। তারপর দেখবেন গ্রাহক নিজে থেকেই বাড়তে শুরু করবে। আর কাস্টমারের বিশ্বাস ধরে রাখার চেষ্টা করুন।

বিকাশ এজেন্ট ব্যবসায় যে যে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হয়

ব্যবসা করার সময় আপনাকে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। যারা নতুন এজেন্ট ব্যাবসায়ী তাদের জন্য এই বিষয়গুলো জানা অত্যান্ত জরুরি। নিচের বিকাশ এজেন্ট ব্যবসায় ঝুকি ও সতর্কতা তুলে ধরা হলোঃ- 

নং ঝুঁকি কীভাবে হয় সতর্কতা/করণীয়
1 ফেক এসএমএস ফ্রড কাস্টমার ভুয়া ট্রানজেকশন মেসেজ দেখায় শুধু অফিসিয়াল অ্যাপ বা মেনুতে ব্যালেন্স চেক করে টাকা দিন
2 ভুল নম্বরে টাকা পাঠানো তাড়াহুড়ায় নম্বর ভুল টাইপ ট্রানজেকশনের আগে নম্বর ২ বার মিলিয়ে নিন
3 পিন শেয়ার হয়ে যাওয়া অসাবধানতা বা কর্মচারীর ভুল পিন কাউকে বলবেন না, নিয়মিত পরিবর্তন করুন
4 ক্যাশ ঘাটতি- বেশি ক্যাশ আউট হলে প্রতিদিন নির্দিষ্ট ক্যাশ রিজার্ভ রাখুন
5 ই-মানি শেষ হয়ে যাওয়া ক্যাশ ইন বেশি হলে ব্যাংক বা ডিস্ট্রিবিউটরের সাথে নিয়মিত ব্যালেন্স সমন্বয় করুন
6 কর্মচারীর অনিয়ম স্টাফ দিয়ে দোকান চালালে নিজে নিয়মিত হিসাব মিলান, লগইন মনিটর করুন
7 ভুয়া NID দিয়ে একাউন্ট প্রতারক গ্রাহক সন্দেহজনক লেনদেন এড়িয়ে চলুন
8 প্রতিযোগিতা বেশি একই এলাকায় একাধিক এজেন্ট ভালো ব্যবহার ও দ্রুত সার্ভিস দিয়ে আলাদা হন
9 বড় অঙ্কের ঝুঁকি বড় ট্রানজেকশন ফ্রড হতে পারে বড় লেনদেনে অতিরিক্ত যাচাই করুন
10 হিসাব গরমিল দৈনিক হিসাব না মিলালে প্রতিদিন শেষে ক্যাশ ও ই-মানি মিলিয়ে নিন

শেষ মন্তব্য

আজকের এই পোস্টে একজন লাভজনক বিকাশ এজেন্ট ব্যবসায়ী হওয়ার সম্পূর্ণ গাইড তুলে ধরেছি। আশা করি এই পোস্ট টি আপনার উপকারে এসেছে। এজেন্ট ব্যবসা শুরু করলে প্রথম দিন থেকে ইনকামের আশা করবেন না। প্রথম (২-৩) মাস সময় দিন দেখবেন ধীরে ধীরে আপনার কাস্টমার বাড়তে থাকবে।

আপনি একটি দোকান ভড়া নিয়ে শুধুমাত্র এজেন্ট ব্যবসায় করবেন না পাশাপাশি অন্যান্য জিনিসপত্র বিক্রি করতে পারেন। যেমন- মুদি মালামাল বা ফার্মেসী দোকান। এই সব দোকানে এই ব্যবসা করবেন তাহলে আপনার এজেন্ট ব্যবসার পাশাপাশি আরও ইনকাম হবে।

এই পোস্টটি ভালো লাগলে পরিচিতদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। আর এই বিষয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করতে পারেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url