বাংলাদেশ সরকারের সকল ই-সেবা সমূহের তালিকা ও ব্যবহারের নিয়ম স্টেপ বাই স্টেপ
সূচিপত্রঃ বাংলাদেশ সরকারের সকল ই-সেবা সমূহের তালিকা ও ব্যবহারের নিয়ম স্টেপ বাই স্টেপ
- সকল ই-সেবা সমূহের তালিকা
- বাংলাদেশ সরকারের জনপ্রিয় ই-সেবা সমূহ
- ই-পাসপোর্ট: ঝামেলা ছাড়াই পাসপোর্ট করুন
- ই-পাসপোর্টের জন্য কীভাবে আবেদন করবেন?
- অনলাইন জন্ম নিবন্ধন: জন্ম নিবন্ধন এখন হাতের মুঠোয়
- অনলাইন জন্ম নিবন্ধন কীভাবে করবেন?
- জমির পর্চা উত্তোলন: জমি সংক্রান্ত কাগজপত্র এখন অনলাইনে
- জমির পর্চা কীভাবে তুলবেন?
- ট্যাক্স বা কর পরিশোধ: লাইনে না দাড়িয়ে ট্যাক্স দিন
- কীভাবে ট্যাক্স পরিশোধ করবেন?
- বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ: বিদ্যুৎ বিল দিন সহজে
- কীভাবে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করবেন?
- অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ই-সেবা
- ই-সেবা ব্যবহারের সুবিধা
- ই-সেবা ব্যবহারের নিয়ম
- ই-সেবা ব্যবহারে সাধারণ মানুষের যে সমস্যাগুলো হয় (User Pain Points)
- ই-সেবায় নিরাপত্তা সমস্যা ও সমাধান (Cybersecurity & Safety Tips)
- গ্রাম/শহরের মানুষ কিভাবে ভিন্নভাবে উপকৃত হয়
- ভবিষ্যতে বাংলাদেশে কী ই-সেবা যুক্ত হতে পারে?
- উপসংহার- সকল ই-সেবা সমূহের তালিকা ও ব্যবহারের নিয়ম
সকল ই-সেবা সমূহের তালিকা
বাংলাদেশের সকল ই-সেবা(e-sheba) সমূহের তালিকা এবং কোন সেবায় কেমন খরচ হবে, কত সময় লাগবে, কি কি কাগপত্র প্রয়োজন, কোথা থেকে সেবা গ্রহণ করবেন নিম্ন থেকে এক নজরে দেখুন।👇
| ই- সেবা | ফি | সময় | কাগজপত্র | কোথায় পাবেন |
| ই-পাসপোর্ট | ৪৫০০–১২,০০০ টাকা | ৭–২১ কার্যদিবস | জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), জন্ম সনদ, ছবি | epassport.gov.bd |
| অনলাইন জন্ম নিবন্ধন (BRN) | ফ্রি | ৩–৭ দিন | জন্ম তথ্য, বাবা–মায়ের NID, ঠিকানা | bdris.gov.bd |
| জমির ই-পর্চা উত্তোলন | ১০–২০ টাকা | তৎক্ষণাৎ (ইনস্ট্যান্ট ডাউনলোড) | খতিয়ান/দাগ নম্বর বা মালিকের নাম | eporcha.gov.bd |
| ট্যাক্স বা কর পরিশোধ (E-Payment) | কাজের উপর ভিত্তি করে টাকা লাগে | তৎক্ষণাৎ | TIN নম্বর, NID, ট্যাক্স তথ্য | nbr.gov.bd |
| বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ (Online Bill Pay) | বিল অনুযায়ী | তৎক্ষণাৎ | কাস্টমার আইডি/অ্যাকাউন্ট নম্বর | DPDC, DESCO, BREB, BPDB ওয়েবসাইট |
| শিক্ষা সংক্রান্ত ই-সেবা | বেশির ভাগই ফ্রী | সেবাভেদে | ছাত্রের তথ্য, জন্ম সনদ, পরীক্ষা রোল | educationboard.gov.bd (ফলাফল), বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পোর্টাল |
| স্বাস্থ্য সেবা (E-Health) | কিছু ফ্রি, কিছু পেইড | অ্যাপয়েন্টমেন্টভেদে | NID/ফোন নম্বর, স্বাস্থ্য রিপোর্ট | dhis2.dghs.gov.bd, বিভিন্ন হাসপাতাল পোর্টাল |
| কৃষি সেবা (E-Krishi) | ফ্রী | তৎক্ষণাৎ | কৃষকের NID, ফসল সম্পর্কিত তথ্য | ais.gov.bd, krishi.gov.bd |
বাংলাদেশ সরকারের জনপ্রিয় ই-সেবা সমূহ
বাংলাদেশ সরকার জনগণের জন্য বিভিন্ন ধরনের ই-সেবা নিয়ে এসেছে। এর মধ্যে কিছু সেবা খুব জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত। নিচে কয়েকটি প্রধান ই-সেবার তালিকা দেওয়া হলো:
- ই-পাসপোর্ট
- অনলাইন জন্ম নিবন্ধন
- জমির পর্চা উত্তোলন
- ট্যাক্স বা কর পরিশোধ
- বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ
- শিক্ষা সংক্রান্ত সেবা
- স্বাস্থ্য সেবা
- কৃষি সেবা
ই-পাসপোর্ট: ঝামেলা ছাড়াই পাসপোর্ট করুন
ই-পাসপোর্টের জন্য কীভাবে আবেদন করবেন?
- প্রথমে ই-পাসপোর্টের ওয়েবসাইটে যান: [https://epassport.gov.bd/](https://epassport.gov.bd/)
- "Apply Online" অপশনে ক্লিক করুন।
- ফর্মটি মনোযোগ দিয়ে পূরণ করুন। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য, ঠিকানা ইত্যাদি সঠিকভাবে দিন।
- ছবি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড করুন।
- পাসপোর্ট অফিসের জন্য তারিখ ও সময় নির্বাচন করুন।
- অনলাইনে ফি পরিশোধ করুন। বিকাশ, রকেট বা অন্য কোনো মাধ্যমেও পরিশোধ করতে পারেন।
- নির্ধারিত তারিখে পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে আপনার বায়োমেট্রিক তথ্য দিন এবং কাগজপত্র জমা দিন।
ব্যাস! আপনার কাজ শেষ। আমার পিতা same নিয়মে পাসপোর্ট আবেদন করেন। আগের মতো লম্বা লাইনে ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে থাকতে হয়নি। মাত্র ১৫ মিনিটে আবেদন শেষ ১০ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট হাতে পেয়েছেন।
ডিজিটাল আবেদন হওয়ায় তার সময় ও খরচ দুইটাই বাচিয়েছে। আপনিও সঠিকভাবে আবেদন করলে "ইনশাআল্লাহ" কিছুদিনের মধ্যেই আপনার পাসপোর্ট হাতে পেয়ে যাবেন।
অনলাইন জন্ম নিবন্ধন: জন্ম নিবন্ধন এখন হাতের মুঠোয়
জন্ম নিবন্ধন একটি অতি প্রয়োজনীয় সরকারি নথি। এটি নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে কাজে লাগে। আগে জন্ম নিবন্ধন করতে গিয়ে কত ভোগান্তি হতো, তা আমরা সবাই জানি। এখন সরকার অনলাইন জন্ম নিবন্ধন প্রক্রিয়া চালু করেছে, যা অনেক সহজ এবং দ্রুত।
অনলাইন জন্ম নিবন্ধন কীভাবে করবেন?
- প্রথমে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন অফিসের ওয়েবসাইটে যান: [https://bdris.gov.bd/](https://bdris.gov.bd/)
- "জন্ম নিবন্ধন আবেদন" অপশনে ক্লিক করুন।
- ফর্মটি সঠিকভাবে পূরণ করুন। আপনার এবং আপনার বাবা-মায়ের তথ্য দিন।
- প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, যেমন - আপনার জন্ম সনদের কপি আপলোড করুন।
- ফর্মটি সাবমিট করুন এবং একটি অ্যাপ্লিকেশন আইডি পাবেন। এটা সংরক্ষণ করুন।
- নির্ধারিত সময়ে আপনার এলাকার ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা অফিস থেকে জন্ম নিবন্ধন সংগ্রহ করুন।
জমির পর্চা উত্তোলন: জমি সংক্রান্ত কাগজপত্র এখন অনলাইনে
জমির পর্চা বা খতিয়ান একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল। জমি কেনাবেচা বা অন্য কোনো প্রয়োজনে এটি দরকার হয়। এখন আপনি ঘরে বসেই জমির পর্চা তুলতে পারবেন।
জমির পর্চা কীভাবে তুলবেন?
- ই-পর্চা ওয়েবসাইটে যান: [https://eporcha.gov.bd/](https://eporcha.gov.bd/)
- আপনার জেলা এবং উপজেলার নাম নির্বাচন করুন।
- জমির খতিয়ান নম্বর বা মালিকের নাম দিয়ে সার্চ করুন।
- প্রয়োজনীয় ফি পরিশোধ করুন।
- পর্চা ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিন।
ট্যাক্স বা কর পরিশোধ: লাইনে না দাঁড়িয়ে ট্যাক্স দিন
ট্যাক্স দেওয়া এখন আগের চেয়ে অনেক সহজ। আপনি অনলাইনে আপনার ট্যাক্স পরিশোধ করতে পারেন।
কীভাবে ট্যাক্স পরিশোধ করবেন?
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইটে যান: [https://nbr.gov.bd/](https://nbr.gov.bd/)
- "e-Payment" অপশনে ক্লিক করুন।
- আপনার ট্যাক্স আইডি এবং অন্যান্য তথ্য দিন।
- অনলাইনে পেমেন্ট করুন।
- পেমেন্টের রিসিট ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করুন।
বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ: বিদ্যুৎ বিল দিন সহজে
বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করার জন্য আর লম্বা লাইনে দাঁড়াতে হবে না। এখন আপনি ঘরে বসেই বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে পারেন।
কীভাবে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করবেন?
- বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানির ওয়েবসাইটে যান (যেমন: DPDC, DESCO)।
- "Online Bill Payment" অপশনে ক্লিক করুন।
- আপনার অ্যাকাউন্ট নম্বর এবং অন্যান্য তথ্য দিন।
- বিকাশ, রকেট বা অন্য কোনো মাধ্যমে বিল পরিশোধ করুন।
- পেমেন্টের রিসিট ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করুন।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ই-সেবা
উপরে দেওয়া সেবাগুলো ছাড়াও আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ ই-সেবা রয়েছে, যা আপনার দৈনন্দিন জীবনকে সহজ করতে পারে।
- শিক্ষা সংক্রান্ত সেবা: বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভর্তি প্রক্রিয়া, পরীক্ষার ফলাফল এবং অন্যান্য তথ্য এখন অনলাইনে পাওয়া যায়।
- স্বাস্থ্য সেবা: এ সেবা দ্বরা অনলাইনে স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ পাওয়া যায়।
- কৃষি সেবা: কৃষকরা এখন অনলাইনে বীজ, সার এবং অন্যান্য কৃষি উপকরণ সম্পর্কে তথ্য পেতে পারেন। এছাড়াও, তারা কৃষি বিষয়ক পরামর্শও নিতে পারেন।
কৃষি সেবা থেকে উপকার: যশোরের কৃষক খালেক "Krishi Call Center 16123”–এ ফোন করে ফসলের রোগ সম্পর্কে জানতে পারেন। ফলে দ্রুত ওষুধ প্রয়োগ করে ক্ষতি কমিয়েছেন।
ই-সেবা ব্যবহারের সুবিধা
ই-সেবা ব্যবহারের অনেক সুবিধা রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি নিচে উল্লেখ করা হলো:
- সময় সাশ্রয়: লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে সেবা গ্রহণের ঝামেলা নেই, তাই সময় বাঁচে।
- খরচ কম: অফিসে গিয়ে কাজ করতে হয় না, তাই খরচ বেঁচে যায়।
- সহজলভ্যতা: যে কোনো সময়, যে কোনো স্থান থেকে সেবা গ্রহণ করা যায়।
- স্বচ্ছতা: প্রতিটি কাজের তথ্য অনলাইনে পাওয়া যায়, তাই স্বচ্ছতা বজায় থাকে।
ই-সেবা ব্যবহারের নিয়ম
ই-সেবা ব্যবহার করা খুব সহজ। প্রতিটি সেবার জন্য আলাদা ওয়েবসাইট বা পোর্টাল রয়েছে। সেখানে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে আপনি সেবা নিতে পারেন। যদি কোনো সমস্যা হয়, তবে হেল্পলাইন নম্বর বা ওয়েবসাইটে দেওয়া নির্দেশিকা অনুসরণ করতে পারেন।
আমরা ইতিমধ্যে সকল E-sheba সম্পর্কে বলেছি। কোন কোন সরকারী সেবা কি কাজের জন্য, খরচ, সেবা গ্রহণে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস, অনলাইনে কিভাবে পাবেন।উপরিউক্ত টেবিলটি ভালোভাবে ফলো করলে বুঝতে পারবেন। এখন চলুন ই-সেবা সম্পর্কে আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানি, যা ই-সেবা ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রত্যোকের জানা উচিত।
ই-সেবা ব্যবহারে সাধারণ মানুষের যে সমস্যাগুলো হয় (User Pain Points)
ই-সেবা বর্তমান বাংলাদেশে জনপ্রিয় হলেও অনেক নাগরিক তা সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পারেন না। ই-সেবা (e-sheba) ব্যবহারে সাধারণ মানুষ যে সমস্যাগুলো হয় তা নিম্নে তুলে ধরা হলোঃ-
- OTP না আসা- অনেক সময় সার্ভার ব্যাস্ত থাকে ফলে কোড আসে না ফলে রেজিষ্ট্রেশন করতে সমস্যা হয়।
- সাইট সার্ভার ডাইন হওয়া- সরকারি সাইট হওয়ায় অনেক সময় ব্যবহার কারীর সংখ্যা বেড়ে যায় ফলে site server down হয়ে যায়।
- ভুল তথ্য দিলে আবেদন বাতিল হওয়া- নাম, NID, জন্ম নিবন্ধন এসকল বিষয়ে কোনো কিছু ভুল হলে আবেদন বাতিল হয়। বাংলাদেশে বানান ভুল একটা বড় সমস্যা।
- ইন্টারনেট ছাড়া ই-সেবা ব্যবহার করা যায় না- স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেটের ব্যবহার না জানলে ই-সেবা ব্যবহার কঠিন।
- আপডেট না জানা- সরকারী সাইটে অনেক নিয়ম পরিবর্তন হয় ফলে অনেক মানুষ তা জানে না।
ই-সেবায় নিরাপত্তা সমস্যা ও সমাধান (Cybersecurity & Safety Tips)
ই-সেবা ব্যবহার সঠিকভাবে করা উচিত। একটা ভুল আপনার জীবনে বিপদ বয়ে আনতে পারে। তাই চলুন ই-সেবা ব্যবহারে নিরাপত্তা সমস্যা ও সমাধান (Cybersecurity & Safety Tips) জানি।
- ই-সেবা ব্যবহারের সময় আপনার ব্যক্তিগত তথ্য নিরাপদে রাখুন। কখনো কাউকে ওটিপি কোড বা পাসওয়ার্ড দিবেন না।
- ওয়েবসাইটে দেওয়া নিয়মাবলী ভালোভাবে পড়ুন। ভুল অ্যাপ বা ওয়েবসাইট থেকে সর্তক থাকুন। সরকারী সাইটে সাধারণত শেষে .gov.bd থাকে এটা দেখুন
- পেমেন্ট করার সময় সতর্ক থাকুন।
- কোনো সমস্যা হলে সেই সেবার হেল্পলাইন নম্বরে যোগাযোগ করুন। যেমন- "Krishi Call Center 16123”। যোগাযোগ করার পূর্বে হেল্পলাইন নাম্বার যাচাই করে নিন।
গ্রাম/শহরের মানুষ কিভাবে ভিন্নভাবে উপকৃত হয়
গ্রাম এবং শহরের মানুষ ই-সেবা ব্যবহারে সবাই সমানভাবে উপকৃত হয় না।
শহরের মানুষের সুবিধা দ্রুত ইন্টারনেট ব্যবহার এবং সবার হাতে স্মার্টফোন থাকে। এছাড়াও' শহরে সেবা কেন্দ্র বেশি অর্থাৎ' তথ্য জানার উৎস বেশি থাকে।
গ্রামের মানুষের সুবিধা হলো ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সহজে সেবা গ্রহণ করা যায় ফলে যাতায়াত খরচ কম হয়। গ্রাম অঞ্চলে কৃষি সম্পর্কিত তথ্য দ্রুত পাওয়া যায়। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কাজ সহজ।
পরিশেষে বলা যায়, গ্রাম থেকে শহরে ই-সেবা ব্যবহারের সুযোগ সুবিধা বেশি পাওয়া যায়। শহরের মানুষ নিজেরাই সেবা গ্রহণ করতে পারে এবং গ্রামের মানুষের ইউনিয়ন পরিষদের সহায়তায় সেবা গ্রহণ হয়।
ভবিষ্যতে বাংলাদেশে কী ই-সেবা যুক্ত হতে পারে?
ভবিষ্যৎ-এ বাংলাদেশের উন্নতি-তে আরও নতুন নতুন যেসব ই-সেবা যুক্ত হতে পারে। নিম্নে সেগুলো তুলে ধরা হলো:
- সম্পূর্ণ ডিজিটাল স্বাস্থ্য কার্ড: যেখানে রোগীর সব রিপোর্ট, প্রেসক্রিপশন ও ইতিহাস থাকবে।
- ডিজিটাল জমি মিউটেশন ও নামজারি ১০০% অনলাইন: বর্তমান আংশিক অনলাইন আছে—ভবিষ্যতে সম্পূর্ণ হতে পারে।
- ডিজিটাল স্কলারশিপ সিস্টেম: স্টুডেন্টদের বৃত্তি আবেদন আরও সহজ হবে।
- AI–ভিত্তিক কৃষি পরামর্শ সেবা: দিন দিন এআই টুলসের যে পরিমাণ ব্যবহার হচ্ছে এবং যেভাবে মানুষের কাজ সহজ করে দিচ্ছে তাতে মনে হয় এআই কৃষি পরামর্শ গ্রহণ করা যাবে। ফসলের ছবি তুলে দিলে AI বলে দেবে সমস্যাটি কী এবং কি করণীয়।
- অনলাইন হাসপাতালে ডাক্তার দেখানো (Telemedicine 2.0): উন্নত ভিডিও কনসালটেশন সিস্টেম। যার ফলে রোগী ঘরে বসে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারবে।
উপসংহার- সরকারের সকল ই-সেবা সমূহের তালিকা ও ব্যবহারের নিয়ম
ই-সেবা আমাদের জীবনকে অনেক সহজ করে দিয়েছে। এখন ঘরে বসেই অনেক সরকারি কাজ করা যায়। আপনিও এই সেবাগুলো ব্যবহার করে দেখতে পারেন। যদি কোনো প্রশ্ন থাকে, তবে কমেন্ট করে জানাতে পারেন। আপনার মতামত আমাদের কাছে অনেক মূল্যবান।
আশা করি, এই ব্লগ পোস্টটি আপনাকে বাংলাদেশ সরকারের জনপ্রিয় ই-সেবা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে সাহায্য করেছে। সরকারি সেবা এখন আপনার হাতের মুঠোয়, তাই দেরি না করে আজই ব্যবহার শুরু করুন! আপনার যদি আরও জানার থাকে তাহলে কমেন্ট করুন।



রিফাত আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url